রোশনী ইয়াসমীন
মুখ -মুখোশ
শিশির অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে বাবার দিকে ।নিশি তখন কিছু একটা বলছিলো । কী বলছিলো?কাকে বিয়ে করবে বলছিলো ! কোন এক ছেলের নাম করছিলো না ! কি যেন তার নাম?ও হ্যা মনে পড়েছে,নাম হলো -অন্তুু, ওদের সাথে এক ক্লাশে পড়ে । খোঁজ নিতে হচ্ছে যুবকটার । দেখতে হবে আপু কী এমন দেখলো ওর মধ্যে যে মরণ পণ করে বসেছে বিয়ে করলে ওকেই করবে , না হলে নয় ! শিশির পরদিন ক্লাশ অফ করে চলে এলো জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ।নিশি আগেই চলে এসেছে । শিশিরকে বেশী খুঁজতে হলো না । দেখলো , কালো মতো একটা ছেলের সাথে শিশিরের আপু হেসে হেসে কথা বলছে ক্যাম্পাসের এক পাশে দাঁড়িয়ে ।
চেনা মুখগুলো হঠাৎ পাল্টে যায়
সময়টা কমছে ক্রমশ হৃদপিণ্ডের কাছ ঘেঁসে। তবুও ঘড়ির কাঁটা দুটো চলছে নিজের মতো। রতন ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে আছেন সিলিংটার দিকে, খুঁজছেন গত চল্লিশ বছরের সঙ্গী সূচনাকে। হয়তো মনে নেই আজ অনেক কিছু। নিজের মেয়েকেও ঠিক করে পারেন না চিনতে।একেক সময় রেগে গেলে মেরেও দেন!